পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

লেস্টারকে হারিয়ে লিভারপুলের রেকর্ড

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-11-23 03:12:30 BdST

চোটজর্জর দল নিয়েও লিভারপুল নিজেদের মেলে ধরল দারুণভাবে। প্রতিপক্ষের ভুলে এগিয়ে যাওয়া দলটি প্রথমার্ধে আরেকটি গোল করে নিয়ন্ত্রণ নিল ম্যাচের। বিরতির পর জালের দেখা পেল আরও একবার। লেস্টার সিটিকে উড়িয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঘরের মাঠে নিজেদের টানা অপরাজিত থাকার নতুন রেকর্ড গড়ল তারা।

অ্যানফিল্ডে রোববার লিগের ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে শিরোপাধারীরা। একটি করে গোল করেন দিয়োগো জোতা ও রবের্তো ফিরমিনো।

লিগে নিজেদের মাঠে এই নিয়ে টানা ৬৪ ম্যাচ অপরাজিত রইল লিভারপুল। ১৯৮১ সালের জানুয়ারিতে দলটির আগের রেকর্ড ৬৩ ম্যাচের অপরাজেয় যাত্রা থেমেছিল লেস্টারের বিপক্ষে হেরে।

চোট ও করোনাভাইরাস সমস্যায় জর্জরিত লিভারপুল এই ম্যাচে পায়নি অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন, ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড, মোহামেদ সালাহ ও জো গোমেজকে। আগে থেকে মাঠের বাইরে আছেন ভার্জিল ফন ডাইক। তাদের অভাব অবশ্য বুঝতে দেননি অন্যরা।

আগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে ১-১ ড্র করা লিভারপুল তৃতীয় মিনিটে প্রথম সুযোগ পায়। তবে কর্নার থেকে সাদিও মানের হেডে বল পাশের জালে লাগে।

একটু পর তিন মিনিটের মধ্যে দারুণ দুটি সেভ করে জাল অক্ষত রাখেন লেস্টার গোলরক্ষক কাসপের স্মাইকেল। ছয় গজ বক্সের কোণা থেকে কার্টিস জোন্সের প্রচেষ্টা পা দিয়ে ঠেকানোর পর জোতার শট ঝাঁপিয়ে ফেরান তিনি।

২১তম মিনিটে জনি ইভান্সের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। কর্নার থেকে আসা বল হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়ান লেস্টার ডিফেন্ডার।

তিন মিনিট পর সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল হার্ভে বার্নসের সামনে। কিন্তু বাইলাইন থেকে জেমি ভার্ডির কাট-ব্যাক ছয় গজ বক্সের সামনে পেয়ে বাইরে দিয়ে শট মেরে হতাশ করেন এই ইংলিশ উইঙ্গার।

৪১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জোতা। বাঁ দিক থেকে অ্যান্ড্রু রবার্টসনের ক্রসে ডি-বক্সে ছুটে গিয়ে হেডে বল জালে পাঠান এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

৫৬তম মিনিটে গোল পেতে পারতেন মানে। তবে সেনেগালের এই ফরোয়ার্ডের শট ফিরিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি স্মাইকেল। দুই মিনিট পর আরেকটি আত্মঘাতী গোল করতে বসেছিলেন এভান্স। এবার তার হেড ফেরে পোস্টে লেগে।

৭৬তম মিনিটে ফিরমিনোর শট পোস্টে লেগে ফেরার পর তার ফিরতি শট লাইন থেকে ফেরান ইভান্স। পরক্ষণে মানের শট গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে আবার পোস্টে লাগে। পাঁচ মিনিট পর মানের আরেকটি শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন স্মাইকেল।

৮৬তম মিনিটে স্বাগতিকদের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেন ফিরমিনো। জেমস মিলনারের কর্নারে লাফিয়ে হেডে বল জালে পাঠান এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

৯ ম্যাচে ছয় জয় ও দুই ড্রয়ে লিভারপুলের পয়েন্ট ২০। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে শীর্ষে টটেনহ্যাম হটস্পার। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে চেলসি তিনে ও লেস্টার চারে আছে।

দিনের অন্য ম্যাচে লিডস ইউনাইটেডের মাঠে গোলশূন্য ড্র করা আর্সেনাল ১৩ পয়েন্ট নিয়ে ১১তম স্থানে আছে। ১১ পয়েন্ট নিয়ে লিডসের অবস্থান ১৪তম।