পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

‘রিয়াল গোল করতে পেরেছে, আমরা পারিনি’

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2022-05-29 10:35:31 BdST

bdnews24

প্রত্যয় ছিল, ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার দুর্নিবার আকাঙ্খা। দারুণ সব আক্রমণে রিয়াল মাদ্রিদের রক্ষণে কাঁপনও ছড়াচ্ছিল লিভারপুল। কিন্তু আসল কাজটি তারা করতে পারেরি, মেলেনি জয়ের জন্য দরকারি গোলটি। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে হারতে হয়েছে ম্যাচ। ইয়ুর্গেন ক্লপ স্বাভাবিকভাবেই হতাশ। হারের কারণ ব্যাখ্যায়ও লিভারপুল কোচ তুলে ধরলেন গোল না পাওয়ার ব্যর্থতাই।

প্যারিসে শনিবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফাইনালে রিয়ালের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছে লিভারপুল। একমাত্র গোলটি করেন ভিনিসিউস জুনিয়রের।

মোহামেদ সালাহ, সাদিও মানে, রবের্তো ফিরমিনো, কেউ পারেননি ভিনিসিউস হয়ে উঠতে। লিভারপুলের সমীকরণও মেলেনি। ব্যর্থতার কারণ হিসেবে ক্লপও বললেন একই কথা।

“এই ফল অস্বাভাবিক কিছু নয়। ফুটবলে এটা খুব স্বাভাবিক ফল। আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম এবং লক্ষ্যে শটও রেখেছিলাম, কিন্তু সবচেয়ে নির্ণায়ক পরিসংখ্যানটি (গোল) মাদ্রিদের পক্ষে। তারা একটা গোল করেছে এবং আমরা করতে পারিনি-বিশ্ব ফুটবলে এটাই সহজতম ব্যাখ্যা। (আমাদের জন্য) এটা কঠিন, কিন্তু অবশ্যই এই ফলকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে।”

ম্যাচের শুরুতে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চড়াও হয় লিভারপুল। রিয়াল নিচে নেমে রক্ষণ সামলানোর ফাঁকে পাল্টা আক্রমণে তুলে নেয় কাঙ্ক্ষিত গোল। নিজেদের খেলায় অনেক ইতিবাচক দিক খুঁজে পেলেও ক্লপ স্বীকার করে নিলেন, তাদের প্রচেষ্টা যথেষ্ট ছিল না।

“আমরা ভেতরে এবং দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের ফরমেশনের আশপাশে আরও বেশি খেলতে চেয়েছিলাম। সমস্যা হচ্ছে, প্রতিপক্ষ যখন রিয়াল এবং তারা নিচে নেমে খেলে, তখন তাদের পাল্টা আক্রমণের হুমকি থাকে তীব্র। আমাদের খেলায় ভালো অনেক কিছু ছিল, কিন্তু এটা যথেষ্ট ছিল না। এই ফল আমাদের মেনে নিতে হবে।”

ম্যাচজুড়ে একের পর দারুণ সব সেভ করে রিয়ালের ত্রাতা থিবো কোর্তোয়া। বেলজিয়ান এই গোলরক্ষকই জিতেছেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। শুরুতে কোর্তোয়াকে কঠিন পরীক্ষা নিলেও শেষ দিকে সালাহ-মানেরা তা পারেননি বলে মনে করেন ক্লপ।

“যখন একজন গোলরক্ষক ম্যাচসেরা খেলোয়াড় হয়, তখন বুঝতে হবে প্রতিপক্ষ দল কিছু ঠিকঠাক করতে পারেনি। কোর্তোয়া অবিশ্বাস্য তিনটি সেভ করল, কিন্তু যেভাবে আমরা খেলেছি, তাতে এই ধরনের সুযোগ আরও বেশি সুযোগ পেলে আমার ভালো লাগত। শেষ তৃতীয়াংশে আমরা কোর্তোয়ার দিকে কিছু ক্রস বাড়িয়েছিলাম, যেগুলো খুব একটা অর্থপূর্ণ ছিল না।”