পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

বস্ত্র খাত: রমরমা মুনাফা অনেক কোম্পানির, লভ্যাংশও বেড়েছে

  • ফারহান ফেরদৌস, নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-11-12 23:07:57 BdST

করোনাভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর মুনাফায় বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে; সবশেষ হিসাব বছরে বেশ কিছু কোম্পানি ভালো লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে ৪৫টির আর্থিক হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখে গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত মুনাফা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫৩৮ শতাংশ বেড়েছে।

এ হিসাব বছরে ৪৫ কোম্পানি মোট মুনাফা করেছে ৪২১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর আগের ২০১৯-২০ হিসাব বছরে যা ছিল ৬৬ কোটি ৪ লাখ টাকা।

২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত এসব কোম্পানির ১২ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ৩১টি কোম্পানির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে এবং ১৪টি খারাপ করেছে।

এগুলোর মধ্যে ২৪টি আগের বছরের থেকে ভালো লভ্যাংশ দিয়েছে। ১৩টি আগের বছরের সমান এবং আটটির লভ্যাংশ কমে গেছে।

মুনাফায় উল্লম্ফন যেভাবে

কোভিড মহামারীর শুরুর দিকের খারাপ সময় পেছনে ফেলে ২০২০ সালের জুন-জুলাই থেকেই বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের অর্ডার বেড়েছে।

এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি কাজ আসছে বলে জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। একক মাস হিসেবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে রেকর্ড আয়ও এসেছে।

২০২০ সালে মহামারীর প্রথম দিকের ক্ষতি কাটিয়ে বস্ত্র কোম্পানিগুলোর ভালো করার বিষয়ে তালিকাভুক্ত শাশা ডেনিমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বস্ত্র কারখানাগুলো এখন অনেক কাজ পাচ্ছে।

এর কারণ হিসেবে মিয়ানমারের অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “চীনে বিদ্যুতের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেখানকার বেশির ভাগ কোম্পানি অনেক পুরোনো মেশিন ব্যবহার করে। ভিয়েতনামের কাজগুলোও বাংলাদেশ এখন পাচ্ছে।

“তাছাড়া বিশ্বে পরিবেশের কথা মাথায় রেখে তৈরি নতুন মেশিন এখন বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে বসেছে। এসব ইতিবাচক ফল মিলছে এখন।”

সামনে আরও ভালো আসছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এর সভাপতি ও ম্যাকসন স্পিনিংয়ের  চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, “আগের বছর টেক্সটাইলের চাহিদা ছিল কম। ২০২০-২১ অর্থবছরে চাহিদা অনেক বেড়েছে। এবছর তুলার চাহিদা বিশ্বজুড়ে ২০ থেকে ২২ শতাংশ বেড়েছে।”

মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভিয়েতনাম থেকে কিছু কারখানার কাজ বাংলাদেশে আসছে। ফলে এখন বস্ত্র খাত ভালো করছে। আর তুলার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্পিনিং মিলগুলোর মুনাফাও বেড়েছে।“

মুনাফা বেড়েছে যেগুলোর

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি ওভেন পোশাক তৈরি করে সেগুলো কিছুটা খারাপ করেছে। যেগুলো নিট পোশাকের কাজ করে সেগুলোই ২০২০-২১ হিসাব বছরে উল্লেখযোগভাবে ভালো করেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্চ ভবন। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্চ ভবন। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

উদাহারণ হিসেবে বলা যায়, আর্গন ডেমিন বা শাশা ডেনিমের মতো কোম্পানি, যেগুলো মূলত ওভেন পোশাক তৈরি সেগুলোর মুনাফা কমেছে।

অপরদিকে ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ের মতো কোম্পানি যেগুলো নিট পোশাক তৈরি করে সেগুলোর মুনাফা অনেক বেড়েছে।

বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, “চাহিদা বাড়ায় তুলার দাম বেড়েছে। স্পিনিংগুলো ভালো করেছে। এছাড়া অন্যান্য বছর ওভেন পোশাকের চাহিদা বেশি থাকে। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে নিট পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। আগামী এক থেকে দুই বছর এই অবস্থা থাকতে পারে।”

ওভেন পোশাক মানে শার্ট, ট্রাউজার ও ডেনিম দিয়ে তৈরি প্যান্ট ও শার্ট। আর নিট পোশাক বলতে বোঝায় টি শার্ট, পোলো শার্ট।

চ্যালেঞ্জ কোথায়?

মহামারীর প্রভাব কাটিয়ে বস্ত্রখাতের কোম্পানিগুলো ভালো করলেও বস্ত্র খাতের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, “কাজ অনেক আসছে কিন্তু মুনাফার হার খুব কম। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের তুলা নেই। তুলা কিনতে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। অথচ ক্রেতারা দাম বাড়াচ্ছেন না।”

তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো ভবিষ্যতে যেমন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তেমনি কিছু আশঙ্কার কথাও শোনালেন মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান।

তার ভাষ্য, “বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর উৎপাদনশীলতায় ঘাটতি আছে। বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে উৎপাদনশীলতা আরো বাড়াতে হবে। কোম্পানিগুলো এখনও আধুনিক অনেক পোশাক  তৈরি করতে পারে না। তাই মুনাফায় ভালো করতে পারে না।

“এছাড়া বাংলাদেশ যখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাবে, তখন রপ্তানিতে আগের সুবিধাগুলো নাও পেতে পারে।”

ব্যাংকের শেয়ারে ভাটা কেন?  

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মুনাফা, লভ্যাংশ ও শেয়ারদর

কোম্পানি

লভ্যাংশ-মুনাফা ২০১৯-২০

লভ্যাংশ-মুনাফা

২০২০-২১

শেয়ারদর (বৃহস্পতিবারের)

আমান কটন ফাইবার্স

মুনাফা ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা; লভ্যাংশ ১০ শতাংশ নগদ

মুনাফা ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা; ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৩৪ টাকা ৬০ পয়সা

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ

মুনাফা ১১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা; ৩% নগদ ও ৭% স্টক লভ্যাংশ

১০ শতাংশ নগদ

৫৫ টাকা ৭০ পয়সা

আল-হাজ টেক্সটাইল মিলস

লোকসান ২ কোটি ৭ লাখ টাকা;  লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ৫৮ লাখ টাকা;

১ শতাংশ নগদ

লভ্যাংশ

৬৬ টাকা ২০ পয়সা

আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং

মুনাফা ১৭ কোটি ৯০ লাখ; লভ্যাংশ ২% নগদ ও ৮% স্টক

২ শতাংশ নগদ

১৮ টাকা ৭০ পয়সা

অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ

লোকসান ৩০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

লোকসান ২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবে না

১৬ টাকা

৯০ পয়সা

আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং

মুনাফা ২৬ লাখ টাকা; লভ্যাংশ ২% নগদ

মুনাফা ৯ লাখ টাকা;

২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৪০ টাকা ১০ পয়সা

অ্যাপেক্স স্পিনিং ও নিটিং মিলস

মুনাফা ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা; লভ্যাংশ ১৫ শতাংশ নগদ

মুনাফা ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা; ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

১২০ টাকা ১০ পয়সা

আর্গন ডেনিমস

মুনাফা ১৯ কোটি ২৫ লাখ; লভ্যাংশ ৫% নগদ ও ৫% স্টক

মুনাফা ৯ কোটি ৩৯ লাখ; ১০% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ

২৩ টাকা ৮০ পয়সা

সি এন্ড এ টেক্সটাইলস

বন্ধ

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

৮ টাকা ৪০ পয়সা

ঢাকা ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং

মুনাফা ছিল ১ কোটি ১৫ লাখ; লভ্যাংশ ১ শতাংশ নগদ

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

২৪ টাকা ৯০ পয়সা

ডেলটা স্পিনার্স

তথ্য নেই; লভ্যাংশ ১ শতাংশ নগদ

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

১০ টাকা ৮০ পয়সা

দেশ গার্মেন্টস

মুনাফা ৩১ লাখ টাকা; লভ্যাংশ ৩% স্টক

মুনাফা ৩০ লাখ টাকা; ৫% নগদ ও  ৩% স্টক

১৫৪ টাকা ৫০ পয়সা

ড্রাগন সোয়টার অ্যান্ড স্পিনিং

মুনাফা ২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা; ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ২৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ স্টক

১৮ টাকা ৮০ পয়সা

দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস

লোকসান ৯৭ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

লোকসান ১ কোটি ৪ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবে না

৫৩ টাকা ২০ পয়সা

এনভয় টেক্সটাইলস

মুনাফা ২৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা; ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৪৬ টাকা

এস্কয়ার নিট কম্পোজিট

মুনাফা ২৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা; ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ২৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা; ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৩৬ টাকা ৫০ পয়সা

ইভিন্স টেক্সটাইল

মুনাফা ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা; ৫ শতাংশ স্টক

মুনাফা ২ লাখ টাকা; ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

১২ টাকা ১০ পয়সা

ফ্যামিলিটেক্স

লোকসান ৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

৪ টাকা

৯০ পয়সা

ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ

মুনাফা ৭ কোটি টাকা; ৩ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক

মুনাফা ১৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

১৯ টাকা ৮০ পয়সা

জেনারেসন নেক্সট ফ্যাশনস

 

মুনাফা ৫৬ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

 

 

মুনাফা ৪৯ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবেন না

 

৬ টাকা

হামিদ ফেব্রিক্স

মুনাফা ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

লোকসান ১৬ কোটি ৩ লাখ টাকা; ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

 

৩৬ টাকা ৩০ পয়সা

এইচ আর টেক্সটাইল

মুনাফা ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা; ৫ % নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ

 

৬৯ টাকা ১০ পয়সা

হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলস

 

মুনাফা ১২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা; ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

 

মুনাফা ১৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা; ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

 

৪৬ টাকা

 

কাট্টালি টেক্সটাইল

মুনাফা ১৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা; ২% নগদ ও ৮% স্টক লভ্যাংশ

 

পর্ষদ সভা হয়নি

 

৩৯ টাকা ৮০ পয়সা

ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস

 

লোকসান ৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা; লভ্যাংশ ২ শতাংশ নগদ

 

মুনাফা ৪৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা; ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

 

২৮ টাকা ৬০ পয়সা

মালেক স্পিনিং মিলস

লোকসান ৩২ কোটি ৬১ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ৬৫ কোটি ৫ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৩৭ কোটি ৬০ লাখ

মতিন স্পিনিং মিলস

মুনাফা ২১ কোটি ২ লাখ টাকা; ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ৬১ কোটি ৫২ লাখ টাকা; ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৬৮ টাকা

মেট্রো স্পিনিং

মুনাফা ৪৭ লাখ টাকা; ২ শতাংশ নগদ

মুনাফা ৬ কোটি ১১ লাখ টাকা; ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ

২৪ টাকা ৪০ পয়সা

মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস

লোকসান ১১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা; ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

২৭ টাকা ১০ পয়সা

মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং

খবর নেই

খবর নেই

১৪ টাকা

এমএল ডাইং

মুনাফা ২০ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ৫% নগদ ও ৫% স্টক

মুনাফা ১৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

২৫ টাকা ৪০ পয়সা

মুন্নু ফেব্রিক্স

মুনাফা ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ৬৯ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

২১ টাকা ৯০ পয়সা

নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেড

মুনাফা ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা; ৫% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ

২০২০-২১ অর্থবছরে মুনাফা ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা; ১২. ২৫% নগদ লভ্যাংশ

৩৮ টাকা ৪০

নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার

লোকসান ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ

 

পর্ষদ সভা হয়নি

 

৮ টাকা

প্যাসিফিক ডেনিমস

মুনাফা ৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকা;  ১০% স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ৪ কোটি টাকা;  ১% নগদ ও ১% স্টক লভ্যাংশ

১৪ টাকা

৩০ পয়সা

 প্রাইম টেক্সটাইল স্পিনিং মিলস

লোকসান ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা; ১% নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা; ২% নগদ লভ্যাংশ

২৭ টাকা ৩০ পয়সা

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল

মুনাফা ৬৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা; ১৫% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ৬৬ কোটি ২২ লাখ টাকা; ২০% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ

৮৭ টাকা ৭০ পয়সা

 কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস

মুনাফা ১১ কোটি ৬২ লাখ টাকা; ৮% নগদ ও ৮% স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ১৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা; ১০% নগদ ও ১০% স্টক লভ্যাংশ

৩০ টাকা ৬০ পয়সা

রহিম টেক্সটাইল মিলস

মুনাফা ৭১ লাখ টাকা। ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা; ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

২৪৯ টাকা ১০ পয়সা

রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস

লোকসান ৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। ১% নগদ ও ১% স্টক লভ্যাংশ

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

১১ টাকা ৭০ পয়সা

রিং শাইন টেক্সটাইল

তথ্য নেই।

তথ্য নেই।

১১ টাকা ২০ পয়সা

আর. এন. স্পিনিং মিলস

লোকসান ৩৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

লোকসান ৭ কোটি ৭ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবে না

৬ টাকা ৭০ পয়সা

 সাফকো স্পিনিং মিলস

লোকসান ১৭ কোটি ৫ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ৬৯ লাখ টাকা; ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৩০ টাকা ৪০ পয়সা

সায়হাম কটন মিলস

লোকসান ৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ১৬ কোটি ৭ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

১৯ টাকা ৩০ পয়সা

সায়হাম টেক্সটাইল মিলস

লোকসান ৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ১০ কোটি ৫ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

২৩ টাকা ৩০ পয়সা

শাশা ডেনিম

মুনাফা ২৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা; ৫% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ১৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

২৬ টাকা

৩০ পয়সা

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

লোকসান ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা; ১ শতাংশ লভ্যাংশ

লোকসান ১৫ কোটি ৪৮ লাখ; ২. ৫% নগদ ও ২.৫% স্টক লভ্যাংশ

৩১ টাকা ৬০ পয়সা

সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ

মুনাফা ৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা; ৫ % নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা; ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

১৮ টাকা ৪০ পয়সা

সোনারগাঁ টেক্সটাইল

লোকসান ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। লভ্যাংশ দেয়নি

লোকসান ৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবে না

১৮ টাকা ৬০ পয়সা

স্কয়ার টেক্সটাইল

মুনাফা ৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা; ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

৫০ টাকা ৩০ পয়সা

স্টাইলক্রাফট

মুনাফা ৬৭ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ

লোকসান ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। লভ্যাংশ দেবে না

১১৮ টাকা ৬০ পয়সা

তাল্লু স্পিনিং মিলস

তথ্য নেই

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

১১ টাকা ৭০ পয়সা

তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল

মুনাফা ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা; ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

মুনাফা ৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা; ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

১৪৪ টাকা ৮০ পয়সা

তসরিফা ইন্ডান্ট্রিজ

লোকসান ১৯ কোটি ৩ লাখ। লভ্যাংশ দেয়নি

মুনাফা ৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা; ২.৫০% ও ২. ৫% স্টক লভ্যাংশ

২০ টাকা ২০ পয়সা

তুং হাই নিটিং

তথ্য নেই

পর্ষদ সভার তারিখ দেয়নি

৬ টাকা ৩০ পয়সা

ভিএফএস থ্রেড ডাইং

মুনাফা ১৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা; ৩% নগদ ও ৩% স্টক লভ্যাংশ

মুনাফা ১৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা; ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ

২৪ টাকা ৩০ পয়সা

জাহিন স্পিনিং

লোকসান ৩৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

লোকসান ২৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবে না

৮ টাকা

৯০ পয়সা

জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ

লোকসান ৩০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেয়নি

লোকসান ২৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা; লভ্যাংশ দেবে না

৭ টাকা ৯০ পয়সা