পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

বিটকয়েন: এল সালভাদরের সাহায্য প্রার্থনায় বিশ্ব ব্যাংকের ‘না’

  • প্রযুক্তি ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-06-17 20:47:09 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স

বৈধ মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েন চালু করার ক্ষেত্রে এল সালভাদরের সহায়াতার অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। এ ক্ষেত্রে সংস্থাটি ডিজিটাল এই মুদ্রা ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবের বিষয়টি সামনে এনেছে।

এ মাসের শুরুতেই মধ্য আমেরিকার দেশটি অগ্রদূত হিসেবে মার্কিন ডলারের পাশাপাশি বিটকয়েনকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে চালু করার ঘোষণা দেয়। কিন্তু, বিশ্ব ব্যাংকের এই অবস্থানের ফলে দেশটি তিন মাসের মধ্যে বিটকয়েন চালু করার যে প্রকল্প গ্রহন করেছিল তার বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জর মুখে পড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

“আমরা মুদ্রা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এল সালভাদরকে সহায়তা করায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” - বিশ্ব ব্যাংকের এক মুখপাত্র এক ইমেইলে বলেন রয়টার্সকে।

“তবে, দেশটির সরকার বিটকয়েন বিষয়ে যে সহায়তা চাইছে সেটি বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তা তালিকায় পড়ে না, বিশেষত পরিবেশগত এবং স্বচ্ছতায় স্বল্পতার কারণে।"

লেনদেনের জন্য বৈধ মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েন প্রবর্তনের জন্য দেশটি বিশ্ব ব্যাংকের কাছে করিগরি সহায়তা চেয়েছে, অর্থ মন্ত্রী আলেহান্দ্রো জেলায়া গত বুধবার এমন তথ্য প্রকাশ করার পরপরই বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে এই প্রতিক্রিয়া মিলল।

অপরদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এল সালভাদরের এই উদ্যোগে "সমষ্টিক অর্থনীতি বিষয়ক, আর্থিক এবং আইনী" জটিলতা দেখছে বলে গত সপ্তাহে জানিয়েছে।

গত সপ্তাহেই এল সালভাদর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বিটকয়েন লেনদেনের বৈধ মুদ্রা হিসেবে চালু করার ঘোষণা দেয়। দেশটির কংগ্রেস এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলের প্রস্তাব পাশ করে।

প্রেসিডেন্ট বুকেলে বিষয়টিকে ইতিহাস রচনা করা হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এর ফলে দেশটির প্রবাসী নাগরিকদের পক্ষে দেশে অর্থ পাঠানো সহজ হবে।

দেশটির কংগ্রেস ৯০ দিনের মধ্যে বিটকয়েন বিষয়ে নতুন আইন পাশ করার মানে হবে দেশটির সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৈধ মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলারের পাশাপাশি বিটকয়েন গ্রহনে বাধ্য হবে, যদি না এ বিষয়ে লেনদেন প্রক্রিয়া করার প্রযুক্তি তাদের থাকে।

দেশটির অর্থনীতি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর নির্ভরশীল। এল সালভাদরের জিডিপি'র শতকরা ২০ ভাগ আসে দেশটির ২০ লাখের বেশি প্রবাসীর পাঠানো বার্ষিক প্রায় চারশ' কোটি ডলার থেকে।