পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

বিটকয়েনে বেতন চান নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র

  • প্রযুক্তি ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-11-05 14:27:28 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স

নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের প্রথম তিন মাসের বেতন বিটকয়েন হিসেবে চান বলে টুইট করেছেন এরিক অ্যাডামস। নিউ ইয়র্ক সিটিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি শিল্পের কেন্দ্রে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক দলের এই প্রতিনিধি।

এরিক অ্যাডামস নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। তিনি ৪ নভেম্বর টুইটে করেছেন, “নিউ ইয়র্কে আমরা সব কিছুই বড় করে করি, তাই মেয়র হওয়ার পর আমার প্রথম তিনটি বেতন আমি বিটকয়েনের মাধ্যমে নেব। ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ অন্যান্য উদ্ভাবনী শিল্পের কেন্দ্রে থাকবে নিউ ইয়র্ক।”

প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট ভার্জ বলছে, অ্যাডামসের বিটকয়েনের বেতন নাওয়ার ঘোষণার বাস্তবে কার্যকর হওয়ার হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিটকয়েনের বাজার মূল্য অস্থিতিশীল। এই পরিস্থিতিতে প্রথম প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে অস্থিতিশীল মূল্যের বাজারে মার্কিন ডলারের সঙ্গে সমতূল্য বিটকয়েন নির্ধারণ।

অ্যাডামসের টুইটের পেছনে প্রযুক্তি প্রেমের চেয়ে মায়ামির মেয়র ফ্রান্সিস সুয়ারেজের প্রতি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবই বড় ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছে ভার্জ। সম্প্রতি এক মাসের বেতন বিটকয়েনের মাধ্যমে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সুয়ারেজ।

 

সিএনবিসি বলছে, দুই মেয়রই তাদের শহরকে বিকেন্দ্রিক মুদ্রা বাণিজ্যের কেন্দ্রে নিয়ে আসতে চাইছেন। নিউ ইয়র্কে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগের গতি কমে আসার কারণ খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাডামস। অন্যদিকে ‘মায়ামিকয়েন’ নামের একটি প্রকল্পে জোর সমর্থন দিচ্ছেন সুয়ারেজ। মায়ামি শহরের সরকারি কর্মীদের বেতন ও কর পরিশোধের কাজে বিটকয়েন প্রচলনের আশাও করছেন তিনি।  

উল্লেখ্য, এ বছরেই ব্লকচেইন ডটকম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সদরদপ্তর নিউ ইয়র্ক থেকে সরিয়ে মায়ামিতে স্থানান্তরিত করেছে। মায়ামিতে আয়োজিত এক সম্মেলনেই এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট বিটকয়েনকে দেশটির বৈধ মুদ্রা হিসেবে প্রচলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের দুই মেয়র আদৌ তাদের বেতন বিটকয়েনে নিতে পারবেন কি না, সেই বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তবে উদীয়মান প্রযুক্তিখাত নিয়ে দুই শহরের মেয়রের এমন প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ আচরণ, বর্তমান রাজনীতিবিদরা যে মুদ্রা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন সেটাই ইঙ্গিত করে বলে মন্তব্য করেছে ভার্জ।