পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

পাঁচ কোটি ৬০ লাখ ডলারের বিটকয়েন জব্দ করেছে মার্কিন সরকার

  • প্রযুক্তি ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-11-19 16:22:37 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স

প্রতারণার শিকার গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ দিতে সম্প্রতি এক ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারকের কাছ থেকে পাঁচ কোটি ৬০ লাখ ডলার সমমূল্যের বিটকয়েন জব্দ করেছে মার্কিন সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের বিচারবিভাগ বলছে, এখন পর্যন্ত একবারে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বিটকয়েন জব্দের ঘটনা এটি এবং প্রতারক স্বেচ্ছায় ওই বিটকয়েন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের বাসিন্দা গ্লেন আরকারো নিজেকে ‘বিটকানেক্ট’-এর “শীর্ষ প্রচারক” বলে আখ্যা দিতেন বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সারা ফেলে দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাষ্ট্রের  সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্বল্প সময়ে বেশি লাভের কথা বলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দুইশ’ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছিল বিটকানেক্ট। প্রতিষ্ঠানটির প্রচারকদের বক্তব্য ছিল, অল্প সময়ে বিটকয়েন লেনদেন করে বেশি মুনাফা অর্জনে সক্ষম একটি বট রয়েছে তাদের হাতে।  

মার্কিন বিচারবিভাগ বলছে, বাস্তবতা ছিল একেবারেই ভিন্ন।  ‘বিটকানেক্ট’-এর পুরোটাই ছিল প্রতারণা-- নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে পুরনো বিনিয়োগকারীদের পাওনা পরিশোধের কৌশল অবলম্বন করতো প্রতিষ্ঠানটি, যা পনজি স্কিম নামেই বেশি পরিচিত। ‘বিটকানেক্ট’-এ নতুন বিনিয়োগকারী টানতে পুরনোদের লাভ থেকে অংশ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পিরামিড স্কিমও পরিচালনা করতো প্রতিষ্ঠানটি।

সেপ্টেম্বর মাসে উভয় প্রতারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে নেন আরকারো। এর মাধ্যমে সে সময়ের বাজারমূল্য অনুযায়ী ২ কোটি ৪০ লাখ ডলার সমমূল্যের বিটকয়েন আয় করেছিলেন তিনি।

ভার্জ বলছে, আরকারোর কাছ থেকে জব্দ করা বিটকয়েন বিক্রি করে ভুক্তভোগীদের মার্কিন ডলারেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মার্কিন সরকার।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে মার্কিন বিচারবিভাগ। ওই বিবৃতিতে অনুযায়ী, মার্কিন পোস্টাল সেবার আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অংশ বিটকয়েন ফিয়াট মুদ্রায় রূপান্তরে সহযোগিতা করবে।  ক্ষতিপূরণ প্রার্থী ভুক্তভোগীদের জন্য আলাদা একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে মার্কিন সরকার। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে আরকারোর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দেবে মার্কিন আদালত। রায়ের পর ক্ষতিপূরণ পাবেন ভুক্তভোগীরা।