পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

ইনস্টাগ্রামে ‘প্র্যাঙ্ক ভিডিও’, ইরানে গ্রেপ্তার ১৭ ইনফ্লুয়েন্সার

  • প্রযুক্তি ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2022-01-28 18:13:20 BdST

bdnews24
ছবি- রয়টার্স

ইনস্টাগ্রামের ভাইরাল ‘প্র্যাঙ্ক ভিডিও’র জেরে ১৭ ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানের পুলিশ। ‘প্র্যাঙ্ক ভিডিও’র জন্য জনসমক্ষে খুনের নাটকও সাজিয়েছিলেন ওই ইনফ্লুয়েন্সাররা। পুলিশের অভিযোগ, ফলোয়ার পেতে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করছিলেন তারা।

বরাবরই ইন্টারনেটের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান কর্তৃপক্ষ। ইনফ্লুয়েন্সারদের গ্রেপ্তারের ঘটনাটিকেও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের উপর কঠোরতার প্রমাণ হিসেবেই আখ্যা দিয়েছে বিবিসি।

ভিডিওগুলোর বিষয় এবং জনসমক্ষে এর চিত্রধারণ থেকেই বিপত্তির শুরু। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে এক ইনফ্লুয়েন্সার নিজ স্ত্রীর মাথা কেটে ফেলার জন্য খোলা রাস্তায় তাড়া করছিলেন। ওই সময়ে রাস্তায় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ জনগন। আরেকটি ভিডিওতে এক এসকেলটর আরোহীর দিকে কেক ছুড়ে মারেন এক ইনফ্লুয়েন্সার।

ওই ইনফ্লুয়েন্সাররা “মানুষের সহ্য ক্ষমতা নিয়ে খেলেছে এবং সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও শান্তি ভঙ্গ করেছে” বলে অভিযোগ করেছেন তেহরানের পুুলিশ প্রধান।

তবে, ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার আগে ভুক্তভোগীর অনুমতি নেওয়া হয়েছিল বলে ইরানের স্থানীয় সংবাদসংস্থাগুলোকে জানিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া এক ইনফ্লুয়েন্সার। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০ ডলার দিতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি; নিজের কাজের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, “আমি শুধু মানুষকে খুশি করতে চেয়েছিলাম এবং ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়াতে চেয়েছিলাম।”

গ্রেপ্তার হওয়া আরেক ইনফ্লুয়েন্সারও জেল থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। “আমার অনুমতির জন্য আবেদন করা উচিত ছিল”, অকপট স্বীকারোক্তি তার।

“১৭ জনের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং মর্যাদাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতেন,” বলে জানিয়েছে তেহরান পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।

বিবিসি জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি সাম্প্রতিক সময়ে কঠোরতা বাড়িয়েছে ইরান কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে “ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ও আগ্রাসী মনোভাব” প্রদর্শনের অভিযোগে ৯৪ জনকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান পুলিশ।