২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

সেনা প্রত্যাহারের পরও সিরিয়াতে ২০০ শান্তিরক্ষী রাখবে যুক্তরাষ্ট্র

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-02-22 13:29:38 BdST

bdnews24

সিরিয়া থেকে সব মার্কিন সেনা ফিরিয়ে নিলেও সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ শান্তিরক্ষী থাকবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স এ তথ্য জানিয়েছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের ডিসেম্বরে সিরিয়া থেকে সব সৈন্য ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার এ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মিত্রদের তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে।

সিরিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) ‘প্রায় পরাজিত’ বলে ট্রাম্প দাবি করলেও পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বলছেন, সিরিয়া থেকে সব মার্কিন সেনা সরিয়ে নিলে সেখানে যে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে, তা আইএসের পুনরুত্থানে ভূমিকা রাখতে পারে।

ইরাক সীমান্তের কাছে বাঘুজ গ্রামে আইএসের ‘শেষ ঘাঁটিতে’ মার্কিন সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স (এসডিএফ) এখনো অভিযান চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়া থেকে সরে এলে তাদের মিত্র কুর্দি বাহিনী আক্রান্ত হতে পারে এ সম্ভাবনা বিবেচনা করেও সেখানে কিছু সৈন্য রেখে দেওয়ার প্রস্তাব করছেন অনেকে। ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেও অনেকে এ ধরনের ব্যবস্থার পক্ষে।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে তারই প্রতিফলন এল বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

“কিছু সময়ের জন্য ২০০-র মতো শান্তিরক্ষীকে সিরিয়ায় রাখা হবে,” বলেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপের পর এ ঘোষণা আসে। টেলিফোন আলাপে দুই নেতা সিরিয়ায় একটি ‘সম্ভাব্য নিরাপত্তা এলাকা’ সৃষ্টিতে ধারাবাহিক সহযোগিতার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

যুক্তরাষ্ট্র যে শান্তিরক্ষীদের রাখবে তারা কতদিন থাকবে এবং কোথায় তাদের মোতায়েন করা হবে সে বিষয়ে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

মার্কিন শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো প্রতিশ্রুত সেনা মোতায়েন করলে উত্তরপূর্ব সিরিয়ায় একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে বলে ধারণা পশ্চিমা বিশ্লেষকদের।

কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক বাহিনীর এক থেকে দেড় হাজার সেনার উপস্থিতি প্রত্যাশা করছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করারও অনুরোধ জানিয়েছে তারা।