ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বৈরথ, কম যায় না টুইটারও

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-05-29 16:51:09 BdST

bdnews24

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একটি টুইট প্ল্যাটফর্মের নীতিমালা লংঘন করেছে জানিয়ে তার ওই পোস্টটি হাইড করে দিয়েছে টুইটার।

স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ জারির কয়েকঘণ্টা পর ট্রাম্পের টুইটটি হাইড হয় বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মিনিয়াপোলিসে পুলিশি নিপীড়নে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে মিনেসোটার বৃহত্তম শহরে তুমুল বিক্ষোভ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্প দুটি টুইট করেন।

এর একটি টুইটারের ‘সহিংসতাকে উদ্বুদ্ধ’ করা সংক্রান্ত নীতি লংঘন করেছে জানিয়ে প্ল্যাটফর্মটি ওই টুইটের জায়গায় একটি সতর্কবার্তা জুড়ে দেয়।

বার্তায় বলা হয়, এই টুইটটি ‘সহিংসতাকে উদ্ধুদ্ধ’ করা সংক্রান্ত টুইটারের নীতিমালা লংঘন করেছে। তবে এই টুইটকে ঘিরে জনসাধারণের আগ্রহ থাকতে পারে বিবেচনায় সেটি দেখার সুযোগ রাখা হয়েছে।

নীতিমালাটির বিস্তারিত জানতে সতর্কবার্তার শেষে ‘আরও জানুন’ লিংক যুক্ত করা হয়েছে। 

বার্তার ‘ভিউ’ অংশে ক্লিক করে ট্রাম্পের টুইটটি দেখা গেলেও নীতিমালা লংঘিত হওয়ায় সেখানে লাইক বা কমেন্ট করা যাচ্ছে না। তবে কেউ চাইলে নিজের কমেন্ট যুক্ত করে সেটি রিটুইট করতে পারছেন।

২০১৯ এর মাঝামাঝি থেকে টুইটার সেলিব্রেটি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নীতিমালা লংঘন করা টুইটগুলোকে বাতিল না করে সতর্কবার্তা জুড়ে দিয়ে সেগুলোকে হাইড করার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্ল্যাটফর্মটি বৃহস্পতিবারের আগে কখনোই ট্রাম্পের টুইটকে নীতিমালা লংঘনের দায়ে অভিযুক্ত করেনি।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের যে টুইটটি আড়াল করা হয়েছে, তাতে ট্রাম্প মিনেসোটার গভর্নরের সঙ্গে মিনিয়াপোলিসে সেনা মোতায়েন নিয়ে কথা হয়েছে জানিয়ে লুটপাটকারীদের দিকে গুলি ছোড়ার হুমকি দেন।

টুইটার এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্পের দুটি টুইটে ‘ফ্যাক্ট চেকিং’ লিংক যুক্ত করে দিয়েছিল।

ভুয়া খবর ও তথ্যের জালিয়াতি ঠেকাতে টুইটারের এ ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ ব্যাবহারকারীদের কাছে সমাদৃত হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার টুইটে এ ট্যাগ দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ডানপন্থিদের মত প্রকাশে বাধা দিচ্ছে বলে এর আগেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। নিজের টুইটে ‘ফ্যাক্ট চেকিং’ লিংক যুক্ত হওয়ার পর বুধবার স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনে বন্ধ করে দেয়ারও হুমকি দেন ট্রাম্প।

মুখে বলেই ক্ষান্ত দেননি, স্যোশাল মিডিয়ার আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরও করেন।

অবশ্য তাতেও যে টুইটারকে দমানো যায়নি, তা তো ওই আদেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্পের টুইট হাইড করা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।