উইঘুররা ‘নিপীড়িত’ বললেন পোপ, চীন বলল 'ভিত্তিহীন'

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-11-25 21:20:51 BdST

ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এই প্রথম চীনের পশ্চিমাঞ্চলের উইঘুর মুসলিমদের ‘নিপীড়িত’ মানুষ বলে বর্ণনা করেছেন। চীন সঙ্গে সঙ্গেই এর সমালোচনা করে এ বক্তব্য ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

পোপ ফ্রান্সিস তার প্রকাশিতব্য একটি বইয়ে উইঘুর জনগোষ্ঠীকে সমবেদনা জানিয়ে ওই মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’।

চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার দেশটির উইঘুর মুসলমানের উপর নানা নির্যাতন-নিপীড়ন করছে বলে গত কয়েক বছর ধরে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ পাচ্ছে। এমনকি উঁচু প্রাচীর ঘেরা বিশাল বিশাল বন্দিশালা তৈরি করে উইঘুর শিশু-কিশোর-তরুণদের সেখানে ধরে নিয়ে আটকে রাখা হচ্ছে বলেও খবরে দাবি করা হচ্ছে।

চীন সরকার বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তারা বলছে, সেগুলো বন্দিশালা নয় বরং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে উইঘুরদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

চীন সরকার বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তারা বলছে, সেগুলো বন্দিশালা নয় বরং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে উইঘুরদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

চীন সরকার বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তারা বলছে, সেগুলো বন্দিশালা নয় বরং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে উইঘুরদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

পোপ ফ্রান্সিস তার নতুন বই ‘লেট আস ড্রিম: দ্য পাথ টু এ বেটার ফিউচার’। এই বইয়ে উইঘুরদের দুর্ভাগা এবং নিপীড়ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বইয়ের একটি প্যারায় ফ্রান্সিস বলেন, ‘‘আমি প্রায়শই নির্যাতিত মানুষদের কথা ভাবি।

“রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, দুর্ভাগা উইঘুররা, ইয়াজিদিরা- যাদের সঙ্গে আইএস খুবই নিষ্ঠুর আচরণ করেছে- কিংবা মিশর ও পাকিস্তানের খ্রিস্টানরা যারা গির্জায় প্রার্থনা করার সময় বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে।”

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান এমন বক্তব্যর সমালোচনা করে মঙ্গলবার এক নিউজ ব্রিফিংয়ে বলেছেন, পোপের বক্তব্যের ‘কোনো বাস্তব ভিত্তি’ নেই।

‘‘চীন সরকার সবসময় সমানভাবে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আইনি ‍অধিকারের সুরক্ষা দিয়ে আসছে। পোপ ফ্রান্সিস যে কথা বলেছেন তা ভিত্তিহীন।”