পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

কোভিড-১৯: টিকা নেওয়া বিদেশিদের জন্য দ্বার খুলছে যুক্তরাষ্ট্র

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-09-20 23:20:38 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাজ্য, ইইউ, এবং অন্যান্য দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে যুক্তরাষ্ট্র। নভেম্বর থেকেই পূর্ণ ডোজ কোভিড টিকা নেওয়া বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন।

হোয়াইট হাউজ সোমবার একথা জানিয়েছে। গত বছরের শুরু থেকেই বিদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল মার্কিন সরকার।

এখন পুরোপুরি কোভিড টিকা নেওয়া বিদেশিদের জন্য সেই নিয়ম শিথিল হচ্ছে।

হোয়াইট হাউজের কোভিড-১৯ মোকাবেলা কর্মসূচির সমন্বয়ক জেফ জায়েন্টস নতুন এই ‘আন্তর্জাতিক বিমান ভ্রমণ ব্যবস্থা’ ঘোষণা করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

তিনি বলেন, “নতুন নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে হলে সব বিদেশিকেই পুরো ডোজ কোভিড টিকা নেওয়ার প্রমাণ দেখাতে হবে। এটি দেশ ভিত্তিক নয় বরং ব্যক্তিভিত্তিক পদক্ষেপ। তাই এটি কিছুটা জোরাল ব্যবস্থা।”

“নভেম্বরের শুরু থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে। এতে করে বিভিন্ন সংস্থা এবং এয়ারলাইন্সগুলো প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য কিছুটা সময় পাবে,” বলেন জেফ।

তাছাড়া, নতুন এই নিয়মের আওতায় দুই ডোজ কোভিড টিকা নেওয়া যাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে থাকার প্রয়োজন পড়বে না এবং শিশুদের ক্ষেত্রে টিকা প্রযোজ্য না হওয়ায় তারা ছাড় পাবে।

আমেরিকানদের যারা পুরো ডোজ কোভিড টিকা নেননি তাদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকায় কোনও বাধা থাকছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার আগে এবং বাড়িতে পৌঁছার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদেরকে কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে।

স্থলপথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে নতুন এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, মেক্সিকো এবং কানাডা থেকে যানবাহনে আসা যাত্রীদের ওপর আগের মতো কড়াকড়িই বহাল থাকবে।

২০২০ সালের শুরুর দিকে প্রথমে চীন থেকে আগতদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। পরে অন্যান্য দেশের ওপরও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তারা।

জারি থাকা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় চীনসহ যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, ব্রাজিলে গত ১৪ দিন থেকেছেন এমন বেশিরভাগ বিদেশিরই জন্যই ‍যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা নিষিদ্ধ রয়েছে।

এবার যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম ঘোষণায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেন, “ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিসঞ্চার আর দুই পারেই এতদিন বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের পুনর্মিলনীর জন্য এ এক দারুণ ব্যাপার।”