পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

আত্মঘাতী তালেবান বোমারুদের পরিবার পাচ্ছে নগদ অর্থ, জমি

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-10-20 16:45:19 BdST

bdnews24
কাবুলের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ২০১৮ সালে আত্মঘাতী হামলা হয়েছিল। ফাইল ছবি: রয়টার্স

আফগানিস্তানের আগের পশ্চিমা সমর্থিত সরকারগুলো ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যে আত্মঘাতী বোমা হামলাগুলো হয়েছে, তাতে জীবন দেওয়া বোমারুদের প্রশংসা করেছে তালেবান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতিতে তারা আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের পরিবারগুলোকে নগদ অর্থ দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

ওই পরিবারগুলোকে জমি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, বলেছে তারা।

মঙ্গলবার তালেবান ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানি কাবুলের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

কাবুলের এই ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলেও ২০১৮ সালে আত্মঘাতী হামলা হয়েছিল।

তালেবানের ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বৈশ্বিক সন্ত্রাসী তালিকায়’ আছেন, তার মাথার দাম ধরা হয়েছে এক কোটি ডলার।

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পরিবারের সঙ্গে বৈঠকের আনুষ্ঠানিক ছবিগুলোতে তার মুখ ঘোলা করে দেওয়া হয়েছে।

“মন্ত্রী তার বক্তৃতায় জিহাদ এবং শহীদ ও মুজাহিদিনদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করেছেন, তাদেরকে ইসলাম ও দেশের নায়ক অ্যাখ্যা দিয়েছেন,” টুইটারে পোস্ট করা বিবৃতিতে বলেছে আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের পরিবারগুলোকে পোশাক, নগদ ১০ হাজার আফগানি (১১১ ডলার) দেওয়া হয়, পাশপাশি তাদেরকে প্লট দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে, জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্বারি সাইদ খোস্তি।

আফগান যুদ্ধে নেটো নেতৃত্বাধীন বাহিনীর ওপর হওয়া রক্তক্ষয়ী আত্মঘাতী বোমা হামলাগুলোর বেশিরভাগই হাক্কানি নেটওয়ার্ক চালিয়েছে বলে ভাষ্য পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর। জালালুদ্দিন হাক্কানির মৃত্যুর পর তার ছেলে সিরাজুদ্দিন এই নেটওয়ার্কের দায়িত্ব নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো এফবিআই ২০০৮ সালে কাবুলের এক হোটেলে বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিকসহ ৬ জন নিহতের ঘটনায় যোগসাজশ পাওয়ায় তাকে ফেরারি ঘোষণা করেছে।

চলতি বছরের অগাস্টে আফগানিস্তানের পশ্চিমা সমর্থিত সরকারের পতন ঘটার পর তালেবান দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয়; এরপরও দেশটিতে আত্মঘাতী হামলা থামেনি।

গত কয়েক মাসে দেশটির বেশ কয়েকটি মসজিদ ও অন্যান্য লক্ষ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের আত্মঘাতী হামলায় কয়েকশ বেসামরিকের প্রাণ গেছে।