মাদ্রাসার শিশুছাত্রীকে ‘ধর্ষণ ও হত্যা’, অধ্যক্ষসহ গ্রেপ্তার ৪

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-02-25 22:27:06 BdST

bdnews24

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একটি মাদ্রাসার এক আবাসিক ছাত্রীর লাশ পাওয়া গেছে; যাকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

সোমবার রাতে সলিমগঞ্জ জান্নাতুল ফেরদৌস মহিলা মাদ্রাসার চিলেকোঠায় মেয়েটির (১২) ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে নবীনগর থানার ওসি রনোজিত রায় জানান।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ চার শিক্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

এরা হলেন সলিমগঞ্জ জান্নাতুল ফেরদৌস মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা (৪০), শিক্ষক মাওলানা আনোয়ার হোসেন (৩০), মাওলানা আল আমীন (২৮) ও হাফেজ মো. ইউনুছ মিয়া (৬০)।

মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

মৃত মেয়েটির মা অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা সোমবার বিকালে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় তার অফিসকক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করায় তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। পরে মাদ্রাসার এক পরিচালক ও চার শিক্ষকের সহায়তায় লাশ চিলেকোঠায় ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখেন।

নবীনগর থানার ওসি রনোজিত রায় বলেন, এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ছয় জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরপরই প্রিন্সিপালসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারের সুবিধার জন্য পুলিশ তাদের নাম প্রকাশ করছে না।

ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে জানান ওসি।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জান্নাতুল ফেরদৌস মাদ্রাসায় প্রায় ২০০ ছাত্রী লেখাপড়া করছে। তাদের মধ্যে ৫০ জন ছাত্রী মাদ্রাসার হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করে।


ট্যাগ:  চট্টগ্রাম বিভাগ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা