পাবনা প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2020-05-16 21:35:25 BdST
শনিবার সকালে পীরপুর গ্রামের এ ঘটনায় আহতকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত আতাইকুলা ইউনিয়নের পীরপুর গ্রামের মধু হাজির ছেলে রফিকুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আতাইকুলা থানার ওসি নাসিরুল আলম জানান, আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার আতিয়ার হোসেনের সাথে পীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা শওকত হোসেন খানের বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি আগামী ইউপি নিবাচনে ওই ইউনিয়নে পরবর্তী চেয়ারম্যান প্রার্থী করার ঘোষণা দেওয়ায় এ বিরোধ শুরু হয়।
গত কয়েকদিন ধরে বাড়ির পাশের মালিকানাধীন জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরিকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে এর জেরে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার আতিয়ার হোসেন সদলবলে গিয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা চালায় বলে জানান তিনি।
এ সময় শওকত হোসেন খানের চাচা ‘রফিকুল ইসলামের ডান হাতে একটি কোপ লাগে।’ প্রথমে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভতি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।
হাসাতালে চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলামের ছেলে রকিবুল ইসলাম বলেন, “আমার বাবা একজন সহজ সরল লোক। কোনো ধরনের ঝামেলা বোঝেন না। অথচ আমার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে।”
থানায় মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।
ওই এলাকার শওকত হোসেন খান বলেন, সম্প্রতি এলাকায় আমার কাজ কম দেখে মুরুব্বীরা আমাকে আগামী ইউপি নিবাচনে চেয়ারম্যান করার মনস্থির করার আতিয়ার চেয়ারম্যান ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
তার দাবি, চেয়ারম্যান একটি সশস্ত্র দল গড়েছেন। স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ খান আলী সেই দলে রয়েছে।
সম্প্রতি চেয়ারম্যান ব্যক্তি মালিকানাধীন এক জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় চেয়ারম্যান ও তার সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা শনিবার সকালে তার চাচাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন বলছেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার হোসেন বলেন, “ঝামেলার সময় আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। এতেই আমার দোষ দিচ্ছেন।
এ ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নন দাবি করে স্বীকার করেন যে ওই ঘটনার সময় আলী উপস্থিত ছিলেন।