মাদানীকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ

  • গাজীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-04-18 20:25:16 BdST

bdnews24
গত ২৫ মার্চ বিক্ষোভকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার 'শিশু বক্তা’ হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মো. জাকির হাসান জানান, রোববার দুপুরে রফিকুল ইসলামকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারগার পার্ট-২ থেকে মহনগরীর গাছা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম মাদানী নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে। রাষ্ট্রবিরোধী, বিদ্বেষ ও উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে গত ৮ এপ্রিল তাকে নেত্রকোণার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উপ-কমিশনার জাকির হাসান বলেন, রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৮ এপ্রিল র‌্যাব একটি মামলা করেছে; ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে একই আইনে বাসন থানাও একটি মামলা হয়েছে। এছাড়া গাছা থানার মামলার সঙ্গে পরে পর্ন ভিডিও ধারণের একটি ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।

গাজীপুর সিটি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) শুভাশীষ ধর জানান, গত মঙ্গলবার গাছা থানার পুলিশ মাদানীকে সাত দিনের হেফাজতে চেয়ে গাজীপুরের আদালতে আবেদন করে। বৃহস্পতিবার অনলাইন মাধ্যমে শুনানির শেষে আদালত দুই দিন মঞ্জুর করে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক ওয়াজ মাহফিলে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় রফিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলায় পর্নগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি ধারা যুক্ত করে পুলিশ।

গত ৮ এপ্রিল তাকে নেত্রকোণার বাড়ি পূর্বধলার লেটিরকান্দার বাড়ি থেকে র‌্যাব-১ গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারগার পার্ট-২-এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, রফিকুল ইসলাম মাদানীকে গাছা থানার একটি মামলায় দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গাজীপুর মহানগরের বাড়িয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে মারকাজুন নূর আল ইসলামিয়া নামে একটি আবাসিক মাদ্রাসা রয়েছে। রফিকুল ইসলাম মাদনী ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও পরিচালক।