গাজীপুরে আরেক মামলায় রিমান্ডে মাদানী

  • গাজীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-04-21 21:47:26 BdST

bdnews24
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আরেকটি মামলায় রিমান্ডে দিয়েছে গাজীপুরের একটি আদালত।

বুধবার ভার্চুয়াল শুনানি শেষে গাজীপুর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শেখ নাজমুন্নাহার এই আদেশ দেন।

একই অভিযোগে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আরেকটি মামলায় ময়মনসিংহের একটি আদালতও বুধবার তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) শুভাশীষ ধর জানান, বাসন থানার একটি মামলায় তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।

শুভাশীষ ধর জানান, গত রোববার [১৮ এপ্রিল] পুলিশ রফিকুল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে করলে বুধবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্ষ করে আদালত।

মাদানী আরও এক দিনের রিমান্ডে

মাদানীর বিরুদ্ধে পর্নগ্রাফির মামলা করল পুলিশ  

“বুধবার ভার্চুয়াল শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।”

বাসন থানার ওসি মো. কামরুল ফারুক জানান, ’শিশু বক্তা’ খ্যাত রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্থানীয় টেকনগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা যুবলীগ কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান বাসন থানায় ১১ই এপ্রিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এই মামলা দায়ের করেন।

একই অভিযোগে এর আগে গাছা থানার একটি মামলায়ও তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। মঙ্গলবার ওই রিমান্ড শেষ হয়।

গাছা থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন জানান, গত ৮ এপ্রিল গাছা থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় নেত্রকোনার বাড়ি থেকে। পরে ১৮ এপ্রিল একই আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

রিমান্ড শেষে তাকে মঙ্গলবার দুপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ পাঠানো হয় বলে তিনি জানান। 

বাসন থানার এই মামলায় অভিযোগ করা হয়, কিছু বক্তা ওয়াজ মাহফিলের নামে ধর্মীয় বক্তব্যের আড়ালে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রদান করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছে। তাদের অন্যতম রফিকুল ইসলাম মাদানি ওরফে ‘শিশু বক্তা’।

রফিকুল তার বক্ত্যের মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ঘটে যাওয়া সহিংসতার পিছনে অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে কাজ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

‘শিশু বক্তা’ মাদানীর বিরুদ্ধে আরেক মামলা গাজীপুরে

মাদানী কারাগারে, তার মাদ্রাসায় তালা  

অভিযোগে আরও বলা হয়, মাদানী গত ২৫ জানুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তার বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অপমানজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন।

এছাড়া দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পর্কে অপমানজনক বক্তব্য দিয়ে ফেইসবুক পেইজ, ইন্টারনেট ও ইউটিউবে আপলোড করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে বিরাজমান সহিংসতা ও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন। তার এসব বক্তব্যের ভিডিও ইউটিউবে ‘ইসলামিক জীবন’ নামের ফেইসবুক পেইজ থেকে আপলোড করা হয়।