গোপালগঞ্জের চার জায়গায় `বিশেষ লকডাউন’

  • গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-06-17 17:59:46 BdST

bdnews24

গোপালগঞ্জের চার এলাকায় সাত দিনের ‘বিশেষ লকডাউন’ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

জেলা কোভিড প্রতিরোধ কমিটির জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় গোপালগঞ্জ, লতিফপুর ইউপি, কাশিয়ানী এবং মুকসুদপুর সদরে শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে এ লকডাউন কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ জরুরি সভার পর গোপালগঞ্জে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলার চার স্থানে বিশেষ লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকরে ইতিমধ্যে মাইকিং সহ সব ধরণের প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে বলেন তিনি।

লকডাউন চলাকালে ওই চার এলাকায় প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত সব দোকানপাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান এবং কাঁচা-বাজার বন্ধ থাকবে। ফুটপাতেও কোনো দোকানপাট বসবে না।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র ওষুধ এবং খাবার দোকান খোলা থাকবে। তবে কোনো রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ক্রেতারা খাবার কিনে নিয়ে যেতে পারবেন।

এছাড়া গোপালগঞ্জ শহরের কাঁচাবাজারটি সরিয়ে শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন অনুশীলন মাঠে স্থানান্তর করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টহল দেবেন। যানবাহন সীমিত আকারে চলবে। যাত্রীবাহী যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা, সে ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকি থাকবে বলেন তিনি।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে তেমন লক্ষণ দেখা না গেলেও গত দু’ সপ্তাহ ধরে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় প্রায় ২৫% পজেটিভ পাওয়া যাচ্ছে। তাই করোনার চারটি হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ভার্চ্যুয়াল সভায় করোনায় মৃতদের লাশ বহনের জন্য জেলার ৫ উপজেলায় ৫টি বিশেষ ভ্যান এবং করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা কোভিড কমিটির এ ভার্চ্যুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।

আলোচনায় অংশ নেন সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা, গোপালগঞ্জ আড়াইশ বেড জেনারেল হাসপাতালে উপ-পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক, শেখ সাহেরা খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. জাকির হোসেন, জেলার পাঁচজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, গোপালগঞ্জ পৌর-মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকু প্রমুখ।