ওমিক্রন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত নজরদারিতে

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-11-29 23:53:08 BdST

bdnews24

করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে আসা সাত ব্যক্তির উপর নজর রাখা হচ্ছে, যাতে বাড়ি পৌঁছলে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো যায়।

পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই সাত ব্যক্তির বাড়িতে লাল পতাকা টানানোরও সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ কমিটি।

সোমবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরামউল্লাহ এ তথ্য জানান।

করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ‘উচ্চ ঝুঁকি’ আছে এবং কিছু অঞ্চলে এটি ‘মারাত্মক পরিণতি’ ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরামউল্লাহ জানান, ইমিগ্রেশনের তথ্য সূত্রে দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আশ-পাশের দেশ থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুরের এক জন, কসবার তিন জন, নবীনগরের এক জন ও সদর উপজেলার দুই জন দেশে নেমেছেন।

“তবে তারা এখনও কেউ বাড়ি পৌঁছাননি। তাই আখাউড়া স্থলবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও যাত্রী পারাপারসহ বাড়তি নজরদারির কথা জানানো হয়েছে।”

এছাড়া পুলিশের বিশেষ টিমকে এ ব্যাপারে খোঁজ নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

ওমিক্রন ‘খুবই ঝুঁকিপূর্ণ’, বিশ্বকে প্রস্তুত থাকতে হবে: ডব্লিউএইচও  

সিভিল সার্জন আরও বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) একটি চিঠির সূত্রে জানা গেছে -   দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সাত জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাসিন্দা বাংলাদেশে এসেছে। তারা কেউই নিজের বাড়িতে পৌঁছেছে কিনা সেটির তদারকি করা হচ্ছে।

“তারা বাড়িতে এলে সর্বপ্রথম তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তারপর যদি কারো নমুনা দেখা যায় তাহলে করোনা পরীক্ষা করানো হবে। তাছাড়া বাড়িগুলো শনাক্ত করে লাল পতাকা টানিয়ে দেওয়া হবে।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, “যারা আফ্রিকা থেকে এসেছেন তাদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ গিয়ে খোঁজ নিচ্ছে। তার তাদের বাড়িতে আসামাত্র তাদের কোয়ারেন্টির নিশ্চিত করা হবে এবং বাড়িতে লাল পতাকা টানানো হবে।”

ডব্লিউএইচওর আশঙ্কা, করোনাভাইরাসের নতুন এই ধরন [ওমিক্রন] বিশ্বের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের এই ধরনে কেউ মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে নতুন ধরনটির বিরুদ্ধে প্রচলিত কোভিড টিকা কার্যকর কিনা তা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।