বিনিয়োগ সম্মেলনে ২৭০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব

ঢাকায় হোটেল র‌্যাডিসনে সোমবার বিনিয়োগ সম্মলনে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ছবি: পিআইডি
ঢাকায় দুই দিনের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন থেকে ২৭০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম।

সোমবার সম্মেলনের সমাপনি পর্বে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রস্তাবের তথ্য জানানো হয়।

সিরাজুল ইসলাম জানান, সম্মেলনে বরিশাল ইলেকট্রনিক পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, কর্ণফুলী ড্রাই ডক, আয়গ্যাস তার্কি, ইউনাইটেড এলপিজির বিনিয়োগ করার বিষয়টি আলোচনা হয়। মোট ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে।

এর মধ্যে শুধু সৌদি আরব থেকে এসেছে ১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সমাপনি পর্বের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, গত চার বছরে বাংলাদেশের জিডিপির আকার চারগুণ বেড়েছে। এখানে শিক্ষিত, উদ্যোমী, পরিশ্রমী জনশক্তি রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ যে বিনিয়োগের আদর্শ লক্ষ্যবস্তু, বিষয়টি পরিষ্কার করা গেছে।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগে আগ্রহ সৌদি মন্ত্রীর  

সম্ভাবনাময় বাজারের সুফল নিতে বিদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান  

“বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ট্যাক্স হলিডে, রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধাসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা গেছে।“

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, এবারের বিনিয়োগ সম্মেলন বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ সম্পর্কে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দেশের শীর্ষ ১১টি কৌশলগত খাত নিয়ে সম্মেলনের কারিগরি আলোচনাগুলোতে সংশ্লিষ্ট খাতের সম্ভাবনার দিকগুলো ফুটে উঠেছে। বিশ্বকে নতুন বাংলাদেশ সম্পর্কে জানানো গেছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরাই ছিল এ সম্মেলনের উদ্দেশ্য। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বর্তমান সরকার সবসময় দৃঢ়চিত্ত।

বেজার গভর্নিং বোর্ডের সদস্য সেলিমা আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এশিয়ার পরবর্তী বিনিয়োগ হাব হতে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলন থেকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা সেই বার্তাটি পেয়েছে।

“বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছে।“

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, আইএফসির দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান হেক্টর গোমেজসহ কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানির প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।