‘ছুটি কাটাতে কাউকে দলে নেওয়া হয় না’

কোভিড পজিটিভ একজন, তার সংস্পর্শে আসা আরও আটজন আইসোলেশনে। ৯ ক্রিকেটারকে হারিয়ে একাদশ দাঁড় করানোই দায় ভারতের। তবে এটিকেও জোড়াতালি দেওয়া দল মানতে নারাজ রাহুল দ্রাবিড়। শ্রীলঙ্কা সফরের ভারতীয় দলের কোচের মতে, স্কোয়াডে থাকা সবাই সমান যোগ্য।

৯ ক্রিকেটার আইসোলেশনে যাওয়ার পর আর কেবল ১১ জনই অবশিষ্ট ছিল ভারতের স্কোয়াডে। তাদেরকে নিয়েই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বুধবার মাঠে নামে দল। নেট বোলার হিসেবে সফরে থাকা ক্রিকেটারদের অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত করা হয় দলে।

ভারতের মূল দলের ক্রিকেটাররা এখন আছেন ইংল্যান্ড সফরে। শ্রীলঙ্কা সফরের দলটিকে বলা যায় পরের ধাপের দল। সেই দ্বিতীয় সারির দলেরও মূল ক্রিকেটারদের বড় অংশকে ছাড়া তারা খেলেছে বুধবারের ম্যাচ।

শ্রীলঙ্কায় ওয়ানডে সিরিজেও অবশ্য এমনটি দেখা গেছে। ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত হওয়ার পর শেষ ম্যাচে পাঁচ জনের অভিষেক হয় ভারতের। টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই অভিষেক হলো চার ক্রিকেটারের।

তবে জাতীয় দলের ক্ষেত্রে এভাবে মূল ক্রিকেটার আর বিকল্প ক্রিকেটারের বিভাজনেই বিশ্বাস করেন না দ্রাবিড়।

“ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর অন্য কয়েকজনকে আমরা সুযোগ দিয়েছিলাম। টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরিস্থিতির কারণেই সেটা আগেভাগে করতে হলো। তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, ভারতের হয়ে খেলার জন্য যারা নির্বাচিত হয়েছে, ১৫ জনই হোক বা ২০ জন, সবাই একাদশে খেলার যোগ্য। বেঞ্চ গরম করার জন্য বা ছুটি কাটানোর জন্য নির্বাচকরা কাউকে দলে নেন না বলেই মনে হয় আমার।”

দ্রাবিড়ের মতে, ভারতের মতো জায়গায় তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর যারা জাতীয় দলে জায়গা পান, তারা সবাই যথেষ্ট যোগ্য।

“আমি দলে দেখি ২০ জনকে, প্রত্যেকেই এই জায়গায় এসেছে সত্যিকারের পারফরম্যান্স দিয়ে। ভারতে কাজটি সহজ নয়। যোগ্যতা দিয়েই এই জায়গা অর্জন করে নিতে হয়। এমন নয় যে সবাইকে সবসময় এখানে সুযোগ করে দিতে পারব আমরা। তবে যতটা বেশি সম্ভব সুযোগ দিতে পারাটা দারুণ।”

“ভারতের ক্যাপ তারা অর্জন করেই নিচ্ছে। ১৫ জন বা ২০ জনের স্কোয়াডে যারা আছে, সবাই যে কোনো সময় একাদশে থাকতে পারে বলেই নেওয়া হয়। তার পর সুযোগটা নেওয়ার দায়িত্ব তাদের। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, এখানে সবাই জায়গাটা অর্জন করে নিয়েছে।”