রান তাড়ায় বাংলাদেশের দুর্বলতা দেখছে ওমান

প্রস্তুতি ম্যাচের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রান তাড়ায় পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। এই জায়গায় তাদের ব্যাটিংয়ে দুর্বলতা দেখছে ওমান। দলটির লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার খাওয়ার আলি জানিয়েছেন, রান তাড়ায় বাংলাদেশের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা সাজাবেন তারা।

দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে রান তাড়ায় হারে বাংলাদেশ। পরে একইভাবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪০ রান তাড়ায় হেরে শুরু করে বিশ্বকাপ অভিযান।

পাপুয়া নিউ গিনিকে উড়িয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা ওমান তাকিয়ে দ্বিতীয় জয়ের দিকে। আগ্রাসী ক্রিকেট দিয়ে মাহমুদউল্লাহর দলকে চমকে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানালেন খাওয়ার।

“পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে যে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলেছি সেটা ধরে রাখাই আমাদের ভাবনা। আমরা জানি, এভাবে খেলে সফল হতে পারি। তাই এখানে কোনো পরিবর্তন আনার কথা এখন ভাবছি না।”

“বাংলাদেশ হয়তো চাপে আছে, কিন্তু আমরা নিজেদের খেলাতেই মনোযোগ দিচ্ছি। নিজেদের পরিকল্পনায় অটল থাকব। আশা করি, ফল আমাদের পক্ষেই আসবে। দেখে মনে হয়ছে, রান তাড়ার সময় বাংলাদেশ চাপে থাকে। আমরা এই ব্যাপারটায় লক্ষ্য রাখছি।”

৬ রানে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশের আর পা হড়কানোর সুযোগ নেই। আরেকটি ব্যর্থতায় আগেভাগে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হতে পারে। সেই সঙ্গে পরের বিশ্বকাপের জন্য খেলতে হতে পারে বাছাই পর্ব। এমন পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ যে প্রবলভাবে চেপে ধরার চেষ্টায় থাকবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই খাওয়ারের।

“আমরা জানি, বাংলাদেশ আগের ম্যাচ হেরেছে। ওরা খুব চাপে আছে। এই ম্যাচ জিততে তারা মরিয়া থাকবে। তবে আমরা ইতিবাচক থাকব।”

নিজেদের শক্তি-সামার্থ্যে আস্থা রেখে সুপার টুয়েলভে যাওয়ার ছক কষছে ওমান। খাওয়ারের মতে, অলরাউন্ডাররা তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের ওপর ভর করেই জিততে চান বাংলাদেশের বিপক্ষে।

“আমাদের অনেক অলরাউন্ডার আছে। এটা একটা শক্তি। দলের অনেকেই এক সঙ্গে খেলছে অনেক দিন ধরে। এটাও আমাদের একটা শক্তির জায়গা।”

“দল হিসেবে আমরা বাংলাদেশকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু আমাদের খুব ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে আর সেটা ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিন বিভাগেই।”