আবারও ব্যাটে-বলে নায়ক সাকিব

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযানে নেমেই হার। তাতে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ দল, বিশেষ করে সিনিয়র ক্রিকেটাররা। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন সাকিব আল হাসান। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে দলের জয়ের নায়ক আবারও তিনি।

প্রথম রাউন্ডে নিজেদের শেষ ম্যাচে বৃহস্পতিবার পাপুয়া নিউ গিনিকে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। ৮৪ রানের জয়ে জায়গা করে নেয় সুপার টুয়েলভের মূল লড়াইয়ে।

ওমানের পর এই ম্যাচেও ব্যাটে-বলে আলো ছড়ান সাকিব। প্রথম ওভারে উইকেটে গিয়ে খেলেন ৪৬ রানের ইনিংস। পরে বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ৯ রানে তার শিকার ৪ উইকেট। টানা দুই ম্যাচে জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে নবমবার পেলেন এই স্বীকৃতি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয়বার। এই টুর্নামেন্টে ২০১৪ আসরে আফাগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন তিনি।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ এদিনও শুরুতে খায় ধাক্কা। প্রথম বলে আউট হতে হতে বেঁচে যাওয়া মোহাম্মদ নাঈম শেখ দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান। এরপর ক্রিজে যান সাকিব।

শুরুতে দেখেশুনে খেলে পরে হাত খোলেন সাকিব। প্রতিপক্ষের ওপর ফিরিয়ে দেন চাপ। লিটন দাসের সঙ্গে গড়েন ৫০ রানের জুটি। আস্থার সঙ্গেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন ফিফটির দিকে। কিন্তু লং-অনে চার্লস আমিনির অসাধারণ ক্যাচে ফিরতে হয় তাকে ৪৬ রান নিয়ে। ৩৭ বলের ইনিংসে মারেন তিনটি ছক্কা।

পরে রান তাড়ায় ধুঁকতে থাকা পিএনজিকে চেপে ধরেন সাকিব। পঞ্চম ওভারে আক্রমণে এসে নেন জোড়া উইকেট। ফিরিয়ে দেন আমিনি ও সিমন আটাইকে।

৪ ওভারের টানা স্পেলের শেষ দুই ওভারে উইকেট নেন আর দুটি। সেসে বাউ ও হিরি হিরিকে পাঠান সাজঘরে। এর সঙ্গে গড়েন দারুণ এক রেকর্ড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট শিকারিদের তালিকার চূড়ায় বসেন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদির পাশে। ২০ ওভারের বৈশ্বিক আসরে দুই জনেরই এখন ৩৯টি করে উইকেট। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দুই উইকেট নিয়ে লাসিথ মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গড়েন টি-টোয়েন্টির সফলতম বোলার। এখন তার উইকেট ১১১টি।