‘মেরে খেলা’ ব্যাটসম্যানদের বোলিং করতে ভালো লাগে নাসুমের

শিশির ভেজা বল, উইকেট বল দারুণভাবে আসছে ব্যাটে। স্পিনারদের জন্য কাজটা কঠিন। আর যদি প্রতিপক্ষ দলে থাকে অভিজ্ঞ সব ব্যাটসম্যান, চ্যালেঞ্জ তখন আরও কঠিন। এমন প্রেক্ষাপটেই অসাধারণ বোলিং করে দলকে জয় এনে দিলেন নাসুম আহমেদ। ম্যাচের পর এই বাঁহাতি স্পিনারের কণ্ঠে দৃপ্ত উচ্চারণ, চ্যালেঞ্জ বড় হলেই তিনি উপভোগ করেন বেশি।

বিপিএল শনিবার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মিনিস্টার ঢাকার বিপক্ষে তারুণ্য নির্ভর চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স জয় পায় ৩০ রানে। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচ সেরা হন নাসুম।

৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে তার শিকার ৩ উইকেট। তার শেষ বলে ব্যাটের কানায় লেগে একটি বাউন্ডারি পেয়ে যান ব্যাটসম্যান। এই চার না হলে বিপিএলের সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারতেন তিনি। ঢাকার মিডল অর্ডারে ছোবল দিয়ে তিনি আউট করেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ, মাহমুদউল্লাহ ও আন্দ্রে রাসেলকে।

ঢাকার যখন প্রয়োজন দ্রুত রান, তখন মাহমুদউল্লাহ ও রাসেলকে আউট করে নাসুম অনেকটাই নিশ্চিত করে দেন দলের জয়। ম্যাচের পর তিনি বললেন, আগ্রাসী ব্যাটসম্যানদের আউট করাতেই তার তৃপ্তি বেশি।

“আমি আমার বোলিংটা খুব বেশি উপভোগ করেছি। অনেক ডট বল দিয়েছি এজন্য ভালো লাগছে। টি-টোয়েন্টিতে বোলিং করতে খুব উপভোগ করি। বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে বল করতে বেশ ভালো লাগে।”

“যারা বেশি মেরে খেলে তাদেরকে বোলিং করতে আমার বেশ ভালো লাগে। আমি ওদেরকে খুব ভালোভাবে পড়তে পারি। আমার কাছে খুব ভালো লাগে।”

একটা পর্যায়ে চট্টগ্রাম ও জয়ের মধ্যে একমাত্র বাধা ছিলেন রাসেল। শরিফুল ইসলামের বলে চার-ছক্কা মেরে ঝড় তোলার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন বিস্ফোরক ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান। তবে নাসুম তাকে আউট করে দূর করে দেন শেষ বাধাও।

নাসুমের মতে, ওই উইকেটকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।

“টার্নিং পয়েন্ট রাসেলের আউট। শামীম খুব ভালো ক্যাচ নিয়েছে। ওই জায়গায় আমরা একটু এগিয়ে গেছি।”