মালাপুর গ্রামের মতো একটি দৃশ্য

কোলাজে ব্যবহৃত অলঙ্করণ: আদিয়াত মুস্তাকিম, দ্বিতীয় শ্রেণি, বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা
গ্রামের নাম মালাপুর, সেই গ্রামের পথ দিয়ে চার বন্ধু যাচ্ছিল। তাদের নাম হলো- বৃষ্টি, মেঘনা, সুমন ও রোদ্দুর।

যাওয়ার পথে তারা নানা কিছু দেখল। তারা গাছ দেখল, ফসলের মাঠ, পুকুরে ব্যাঙ, পাখি, আকাশ, ঘর ও নদী দেখলো। এসব দেখতে দেখতে ওরা একসময় স্কুলে পৌঁছে গেল।

সেদিন ওদের ছবি আঁকার ক্লাস ছিল। ওদের ছবি আঁকার শিক্ষকের নাম জিনাত। তাই সবাই তাকে ‘জিনাত আপা’ বলে ডাকে। জিনাত আপা ক্লাসে গেলেন, সবাই আপাকে সালাম দিলো।

বৃষ্টি: আপা জানেন আমরা আজ কত কি দেখেছি!

আপা: তাই, তোমরা কী কী দেখেছো?

রোদ্দুর: আপা আজ আমরা গাছ, ফসলের মাঠ, পাখি, আকাশ আর নদী দেখেছি।

আপা: ও তাই! তাহলে আজ তোমরা যা যা দেখেছ সেগুলোর ছবি আঁকো।

মেঘনা: তাহলে তো খুব মজা হবে।

সবাই তাদের ব্যাগ থেকে কাগজ ও রঙ-পেন্সিল বের করলো। বৃষ্টি ঘরের ছবি আঁকল, মেঘনা পুকুরে ব্যাঙের ছবি আঁকল, সুমন গাছের ছবি আঁকল আর রোদ্দুর আকাশ ও সূর্যের ছবি আঁকল। আর বাকি দুজন ফসলের মাঠ ও পাখির ছবি আঁকল। জিনাত আপা সব ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন।

সবার আঁকা শেষ, তারা ছবিগুলো আপাকে দেখাল। জিনাত আপা ছবিগুলো সুন্দর করে পাশাপাশি সাজিয়ে রাখলেন। সবাই তো দেখে অবাক! কেন জানো? কারণ ছবিগুলো সাজিয়ে রাখার পর তাদের মালাপুর গ্রামের মতো একটি দৃশ্য তৈরি হলো।

জিনাত আপা ছবিগুলো জোড়া লাগালেন। তারপর দৃশ্যের নিচে লিখে দিলেন,

‘রূপসী কন্যা সোনার বাংলা,

আমরা তোমায় ভালোবাসি।’

জানো বন্ধুরা, আমাদের দেশকে ‘রূপসী কন্যা’ বলা হয়। এরপর জিনাত আপা ক্লাসের সবচেয়ে বড় দেয়ালে দৃশ্যটি ঝুলিয়ে দিলেন। সবাই দেখে হাততালি দিল আর অনেক খুশি হলো।

লেখক পরিচিতি: শিক্ষার্থী, তৃতীয় শ্রেণি, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ

কিডস পাতায় বড়দের সঙ্গে শিশু-কিশোররাও লিখতে পারো। নিজের লেখা ছড়া-কবিতা, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি, মজার অভিজ্ঞতা, আঁকা ছবি, সম্প্রতি পড়া কোনো বই, বিজ্ঞান, চলচ্চিত্র, খেলাধুলা ও নিজ স্কুল-কলেজের সাংস্কৃতিক খবর যতো ইচ্ছে পাঠাও। ঠিকানা kidz@bdnews24.com। সঙ্গে নিজের নাম-ঠিকানা ও ছবি দিতে ভুলো না!