আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবার ভিন্ন আঙ্গিকে

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস বিনির্মাণে ঐতিহাসিক ৭ জুন এবং দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধর‌বে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কিছু সংখ্যক প্রতিনিধি প্রতীকী আলোচনা সভা করবেন, যেখানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আর ঐতিহাসিক ৭ জুন শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটি’ আরেকটি প্রতীকী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে, সেখানেও ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন শেখ হাসিনা।

সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির নেতাদের বৈঠকে দুটি কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে  আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, করোনাভাইরাসের সংক‌টে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে আগামী ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস এবং ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

“কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আলোচনায় করোনাভাইরাসের কারণে জনসমাগম হয় এমন রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ থাকায় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস বিনির্মাণে ঐতিহাসিক ৭ জুন এবং ঐতিহাসিক ২৩ জুনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার কথা বলা হয়।”

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “করোনাভাইরাসের কারণে আওয়ামী লীগের সকল কর্মসূচি ছোট করে আনা হয়েছে। বেশিরভাগ কর্মসূচি এখন ভার্চুয়ালি হচ্ছে।”

এ কারণে ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবসের কর্মসূচি এমন আঙ্গিকে সাজানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথাও বলেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় সদস্য সাহাবুদ্দীন ফরাজী উপস্থিত ছিলেন।