মোহামেডান-শেখ রাসেল ড্র

গোলের পর মোহামেডানের খেলোয়াড়দের উল্লাস
শেষ দিকে ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেলেন মোহাম্মদ ইলিয়াস। সামনে একমাত্র বাধা গোলরক্ষক; কিন্তু সুবর্ণ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারলেন না তিনি। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়ালেও জয়ের ধারা ধরে রাখতে পারল না শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে রোববারের ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়। সুলেমানে দিয়াবাতের গোলে মোহামেডান এগিয়ে যাওয়ার পর সমতা টানেন জিয়াকার্লো লোপেজ রদ্রিগেজ।

আসরে শুভসূচনার পর টানা দুই ম্যাচ জয়শূন্য রইলো মোহামেডান। আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লিগ শুরু করা শন লেনের দল পরের ম্যাচে সাইফ স্পোর্টিংয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল।

আর টানা দুই জয়ের পর পয়েন্ট হারাল শেখ রাসেল। ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ২-১ গোলে হারিয়ে লিগে শুভসূচনা করা সাইফুল বারী টিটুর দল পরের ম্যাচে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটির বিপক্ষে জিতেছিল ১-০ ব্যবধানে।

জয়ে ফিরতে মুখিয়ে থাকা মোহামেডান একাদশ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায়। দিয়াবাতের কাছের পোস্টে নেওয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ফেরান গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা। কর্নারে মালির ফরোয়ার্ড দিয়াবাতের হেড যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

এক মিনিটের ব্যবধানে দুটি সুযোগ নষ্ট হয় টানা দুই জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামা শেখ রাসেলের। ২৫তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড লোপেজের শট দূরের পোস্ট দিয়ে বেরিয়ে যায়। পরের মিনিটে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওবি মোনেকের হেড যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

৩৬তম মিনিটে হাবিব বিপুর দৃঢ়তায় বেঁচে যায় মোহামেডান। মোনেকের ছোট পাস ধরে ডি-বক্সের ভেতর থেকে মোহাম্মদ আব্দুল্লার শট ফিস্ট করে ফেরান গোলরক্ষক।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মোহামেডানকে স্পট কিক থেকে এগিয়ে নেন দিয়াবাতে। ডি-বক্সে সোহেল রানার হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

৫৬তম মিনিটে সমতার স্বস্তি ফিরে শেখ রাসেলের তাবুতে। বখতিয়ার ‍দুইশবেকভের ফ্রি কিক হেমন্ত সেন্ট বিশ্বাস হেড করার পর বিপু লাফিয়ে উঠলেও বল গ্লাভসে নিতে পারেননি। হেডে লক্ষ্যভেদ করেন লোপেজ।

শেষ দিকে মোহামেডানের রক্ষণে চাপ বাড়ায় শেখ রাসেল। ৮২তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে লোপেজের শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়।

তিন মিনিট পর নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার ভুলে নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করে শেখ রাসেল। সতীর্থের বাড়ানো বল ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে যান ইলিয়াস। এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে পেছনে ফেলতে হেডে বল এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার। কিন্তু হেডে গতি বেশি থাকায় বল চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মোনেকেও পারেননি দ্রুত টোকা দিতে।