ক্লাবগুলোয় নিয়মিত ‘পরিদর্শনে যাবেন’ কোচ

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের দুটি ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও তা ভেস্তে গেছে আগেই। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এখন তাকিয়ে মার্চের ফিফা উইন্ডোর দিকে। মাঝের সময়ে জাতীয় দলের নতুন কোচ হাভিয়ের কাবরেরাকে ব্যস্ত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে বাফুফে। বিভিন্ন ক্লাবে গিয়ে তিনি দেখবেন খুটিনাটি সবকিছু।

আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্ব কাবরেরার হাতে তুলে দিয়েছে বাফুফে। বুধবার বাফুফে ভবনে দুই পক্ষের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। কোচকে তুলে দেওয়া হয় জাতীয় দলের জার্সি।

সংবাদ সম্মেলনে কোচকে নিয়ে নিজেদের নানা চাওয়া, পরিকল্পনা জানান ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ।

“এই শুক্রবার থেকে কোচ বিভিন্ন ক্লাব পরিদর্শন করবে। আবাহনী ক্লাবে শুক্রবার তিনি মাঠে থাকবেন। বাকী সব ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। পর্যায়ক্রমে ক্লাবগুলোতে গিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম দেখবেন কোচ। বিভিন্ন ভেন্যুতে জাতীয় দলের কোচ-টেকনিক্যাল ডিরেক্টর যাবেন খেলা দেখার জন্য। সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবেন…তিনি বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তার এফোর্ট, তার তারুণ্য উদ্দীপনা আমাদের দলকে আরও বেশি উজ্জীবিত করবে।”

“একটা জিনিস চাই এই বছরে। আমাদের লিগ প্রায় ৫-৬ মাস ধরে চলবে। আমরা চাই, আমাদের ক্লাবগুলোর সঙ্গে স্ট্রং এনগেজমেন্টের মাধ্যমে যেন খেলোয়াড়দের মোটিভেট করতে পারি। আরও বিস্তৃত পরিসরে ও পুল অব খেলোয়াড় অ্যাভেইলেবল রাখতে পারি।”

মার্চে দেশে কিংবা দেশের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চলছে বলে জানালেন নাবিল। তার আগে খেলোয়াড়দের সবাইকে কোভিড-১৯ টিকার আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

“এরই মধ্যে আমাদের কিছু ভাবনার (কনসার্ন) কথা কোচের সঙ্গে শেয়ার করেছি। চার-পাঁচটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আশা করছি, মার্চে কোভিড পরিস্থিতি ভালো থাকলে আমাদের দেশে কিংবা অন্য কোনো দেশে গিয়ে খেলতে পারব।”

“জাতীয় দলের ভ্যাকসিন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। আশা করছি, এর আগেই সবকিছু সম্পন্ন করতে পারব। (এর আগে) ২-৩ বছর একাধিক কোচ কাজ করেছে। ফুল টিম কাজ করেছে। অবশ্যই কোচ ভালো কাজ করতে পারে ভালো এসিস্টেন্স থাকলে। তাই আমরা কোচের পর্যবেক্ষণটা আগে পেতে চাই।”